একটা মৃত্যু বদলে দিয়েছে অনেক কিছু।তালসারিতে শ্যুটিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে লেখক-অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Arunoday Bandopadhyay)। এরপর শিল্পীদের সুরক্ষা ও অভিনেতার মৃত্যুর প্রকৃত তদন্তের দাবিতে একজোট হয়েছে টলিউড। এবার রাহুলকে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর অভিনীত 'ছবিওয়ালা' বিনামূল্যে দেখানোর ব্যবস্থা প্রযোজনা সংস্থার। পরিচালক বাপ্পার (শুভ্রজ্যোতি) টিম জানিয়েছে কোনও ব্যবসায়িক মুনাফা নয়, শিল্পী রাহুলকে শেষ সম্মান জানাতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রয়াত রাহুলকে শ্রদ্ধা, বিনামূল্যে 'ছবিওয়ালা' দেখানোর সিদ্ধান্ত পরিচালক-প্রযোজকের!
Sponsored


Sponsored

কাজ করতে গিয়ে রাহুলের আকস্মিক প্রয়াণ এখনও মেনে নিতে পারছেন না তার সতীর্থরা। আর যেভাবে প্রযোজনার সংস্থা ক্রমাগত তথ্য আড়াল করার চেষ্টা করছে তাতে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা বাড়ছে। শোকাতুর বাংলা বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতে শিল্পী ও কলাকুশলীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আর্টিস্টস ফোরাম (West Bengal Motion Picture Artist's Forum) । এসবের মাঝেই মুক্তি পেতে চলেছে রাহুল অভিনীত 'ছবিওয়ালা'। ম্যাচস্টিক মোশন পিকচার্স নিবেদিত A4J ফিল্মস প্রযোজিত এই সিনেমায় রাহুলের সঙ্গে দেখা যাবে অভিনেত্রী দেবলীনা দত্তকেও (Debleena Dutta)। অতিথিশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন শ্রীলেখা মিত্র। ছবিতে রাহুলের চরিত্র ‘বিশ্বকর্মা’র জীবনের সঙ্গে বাস্তবের যেন এক অদ্ভুত সমাপতন ঘটেছে।
Sponsored


Sponsored

পরিচালক শুভ্রজ্যোতি বলেন, 'ছবিটির নাম ‘নেগেটিভ’ রাখা হয়েছিল, যা গল্পের মেজাজ ও ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল ঠিকই, কিন্তু রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক প্রয়াণ আমাদের শিল্পী হিসেবে গভীরভাবে নাড়িয়ে দেয়। এই ঘটনা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে শুধু গল্প নয়, জীবনের বাস্তবতাও যেন নতুন করে সামনে আসে। এই গভীর শোক ও অনুভূতি থেকেই আমরা ছবিটির নাম পরিবর্তন করে রাখতে চলেছি 'ছবিওয়ালা'।তাঁর মৃত্যু আমাদের মধ্যে এতটাই গভীর আঘাত এনে দেয় যে, আমরা এই ছবিটিকে এক সত্যিকারের ‘ছবিওয়ালা’-কে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিই। একজন শিল্পী, যিনি তাঁর কাজের মধ্য দিয়েই চিরকাল বেঁচে থাকবেন। এই ছবিটি তাই শুধুমাত্র একটি গল্প নয়, বরং তাঁর প্রতি আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধার্ঘ্য। আমরা এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না, এত তাড়াতাড়ি আমাদের মাঝে আর নেই রাহুল দা। এই আকস্মিক চলে যাওয়া শুধু বাংলা ইন্ডাস্ট্রির এক বড় ক্ষতি নয়, আমার ব্যক্তিগত জীবনেও এক অপূরণীয় শূন্যতা।’’
Sponsored

পরিচালক ও প্রযোজকের তরফে হল মালিকদের অনুরোধ করা হয়েছে যেন দর্শক প্রেক্ষাগৃহে টিকিট ছাড়াই ছবিটি দেখতে পান। শিল্পী যে সত্যিই তাঁর শিল্পেই বেঁচে থাকেন, এই টিকিটহীন সিনে প্রদর্শনের উদ্যোগ যেন ফের সে কথাই প্রমাণ করল।
Sponsored

-
-
-
-
-
-
-












