শ্রেয়া বসু
দুরন্ত পলিটিক্যাল থ্রিলার 'কর্পূর', প্রথম শো থেকেই জমজমাট
Sponsored

রিয়েলে ভোটের হাওয়া আর রিলে পলিটিকাল থ্রিলার- দুইয়ে মিলে জমজমাট কর্পূরের প্রথম শো-ই। অরিন্দম শীল পরিচালিত এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ব্রাত্য বসু, কুণাল ঘোষ, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনীত 'কর্পূর' ২০২৬ সালের দুর্দান্ত একটি রিয়েল-লাইফ থ্রিলার। ১৯৯৭ সালের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ামক মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্যকে কেন্দ্র করে এগিছে এই ছবি। চেনা ধারায় অন্য গতে এই ছবি মুক্তি পেয়েছে ১৯ মার্চ। কিন্তু ইতিমধ্যেই এই ছবিটিকে একটি "কমপ্লিট টিম এফোর্ট" হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
Sponsored

নব্বইয়ের দশকের বাম জমানার পটভূমিতে তৈরি এই থ্রিলারের প্রতি মোড়ে রহস্য। মনীষা মুখোপাধ্যায়ের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে তুলে ধরে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই অনবদ্য অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 'মৌসুমী সেন’ এর চরিত্র যে তাঁর থেকে ভালো কেউ স্ক্রিনে ফুটিয়ে উঠতে পারতেন না সেই কথা একবাক্যে স্বীকার করা যায়।
Sponsored

পুলিশ আধিকারিকের চরিত্রে নিজের অভিনয়ের মুন্সিয়ানা তুলেছেন ব্রাত্য বসু। সাংবাদিকের ভূমিকায় তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও যথেষ্ট সাবলীল মনে হয়েছে প্রতি দৃশ্যে। কিন্তু প্রশংসার শিরোনামে উঠে এসেছেন কুণাল ঘোষ। প্রথম ছবিতেই যাকে বলে বাজিমাৎ। সম্পূর্ণ অন্য রকম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হয়েও তিনি যেভাবে তৎকালীন প্রেক্ষাপটে বাম জমানার অধুনা প্রয়াত এক গুরুত্বপূর্ণ নেতার চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন সেটা নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। বাম জমানার ওই সাড়া-জাগানো ঘটনা অবলম্বনে তৈরি এই ছবি জুড়েই রাজনীতির গল্প। এছাড়া শিক্ষানবিশ সাংবাদিকের চরিত্রে লহমা ভট্টাচার্য প্রশংসার দাবি রাখেন। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অর্পণ ঘোষালও পাল্লা দিয়ে লড়েছেন। ঋতুপর্ণার স্বামীর চরিত্রে পরিচালক অরিন্দম শীল অবশ্যই নিজের পরিচালক সত্ত্বার ছাপ রেখেছেন।
Sponsored

১৯৯৭ সালে মনীষার আচমকা ‘উবে’ সকলকেই ভাবিয়ে তুলেছিল। রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল একপ্রকার। ২৮ বছর পর সেই ভাবনাকে আবার উস্কে দিল অরিন্দম শীলের ছবি ‘কর্পূর’। তবে অরিন্দমের ঘারানায় ছবির শেষ পর্যন্তই টানটান রুদ্ধশ্বাস। নির্বাচনের সময়ে এই পলিটিক্যাল থ্রিলার বক্স অফিসে সাড়া জাগাবে বলেই মত সিনে জগতের।
Sponsored

Sponsored

_
_
_
_
_












