মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। ইরানের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন (America) নৌবহর। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরেই নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মার্কিন-ইরান (Iran) সংঘাতে ফের পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
পারদ চড়ছে, ইরানের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন নৌবহর
Sponsored

সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার দিকে আমাদের অনেক যুদ্ধজাহাজ যাচ্ছে। যদি হঠাৎ করে দরকার পড়ে, তাই। আমি চাই না কিছু হোক, কিন্তু আমরা ইরানকে নজরে রেখেছি। আমাদের আর্মাডা সে দিকে যাচ্ছে। হয়তো আমাদের সেটা ব্যবহার করতে হবে না।“
Sponsored

এর পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান (Iran)। সেখানকার এক আধিকারিক বলেন, "আমরা আশা করি, আমেরিকার এই সামরিক প্রস্তুতির নেপথ্যে প্রত্যক্ষ সংগ্রামের কোনও উদ্দেশ্য নেই। তবে আমাদের সেনা খারাপ পরিস্থিতির জন্যেও তৈরি আছে। সেই কারণেই ইরানে এখন সব হাই অ্যালার্টে রয়েছে।“ এছাড়াও ইরান বলেছে এবার যেকোনও হামলাকেই তারা যুদ্ধ হিসেবে দেখবে। ইরানের সার্বভৌমত্বকে যদি আমেরিকা লঙ্ঘন করে তাহলে ইরান তার প্রত্যাঘাত করবেই। তাদের কাছে যা অস্ত্র আছে সব কিছু দিয়ে তারা আমেরিকাকে কড়া জবাব দেবে। এমনটাই দাবি ইরানের আধিকারিকের।
Sponsored

মার্কিন-ইরান সংঘাতের আশঙ্কার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পশ্চিম এশিয়ার আকাশপথেও। একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা এই অঞ্চলে তাদের পরিষেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। ডাচ এয়ারলাইন্স KLM, জার্মানির Lufthansa এবং ফ্রান্সের Air France-সহ বেশ কয়েকটি বড় বিমান সংস্থা আরব ও উপসাগরীয় এলাকায় উড়ান বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আরও খবর: জর্জিয়ায় স্ত্রী-সহ ৩ আত্মীয়কে গুলি করে খুন ভারতীয়র! আলমারিতে লুকিয়ে রক্ষা ৩ সন্তানের
Sponsored

এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ইজরায়েল, দুবাই এবং রিয়াধের মতো গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যগুলিতে। Air France জানিয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তারা আপাতত দুবাইয়ের পরিষেবা বন্ধ রাখছে। অন্যদিকে, KLM ইরান, ইরাক এবং সংলগ্ন দেশের আকাশপথ ব্যবহারকারী সমস্ত উড়ান বাতিল করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কাই এই উড়ান বাতিলের মূল কারণ।
Sponsored

-
Sponsored

-
-
-
-












