বৈঠক শেষে দলের তরফে কুণাল ঘোষ জানান, এ দিনের কর্মসূচিতে যেমন ভোটের ফলের চুলচেরা বিশ্লেষণ হয়েছে, তেমনই নির্বাচন-উত্তর পর্বে বিজেপির সন্ত্রাস ও হিংসার রাজনীতি নিয়েও সরব হয়েছেন নেতৃত্ব। গেরুয়া শিবিরের এই আগ্রাসন রুখতে আগামী দিনে উত্তর কলকাতায় বেশ কিছু রাজনৈতিক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে চূড়ান্ত কর্মসূচি কী হবে, তা জেলা চেয়ারম্যান তথা সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করেই দফতর ও কর্মীদের আগামিকাল বা আগামী দিনে জানিয়ে দেবেন।
তৃণমূল শিবিরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য যে কলকাতার পুরবোর্ড পুনর্দখল করা এবং নিজেদের শক্তি ধরে রাখা, তা এ দিনের বৈঠক থেকেই স্পষ্ট। কুণালের সংযোজন, “আমরা চেষ্টা করব আমাদের কাউন্সিলরদের যে সংখ্যা রয়েছে, তা যেন সম্পূর্ণ অটুট রাখা যায়।” একই সঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী রণকৌশলকে নিশানা করে তিনি দাবি করেন, ভোট বৈতরণী পার হতে বিজেপি কী ধরনের চাল বা ‘কায়দা’ অবলম্বন করে, তা এখন শাসকদলের অনেকটাই চেনা হয়ে গিয়েছে। ফলে প্রতিপক্ষের সেই কৌশলকে মাঠে মারতেই তৃণমূলও এবার নিজেদের মতো করে নতুন পাল্টা রণকৌশল তৈরি করছে।
আরও পড়ুন- সমন্বয়-স্বচ্ছ কাজের পরিবেশ তৈরিতে রাজ্য-কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে নৈশভোজ মুখ্যমন্ত্রীর
_
_

















