সরকারি সূত্রের দাবি, বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা আলাদা ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল ল'-এর পরিবর্তে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, দত্তক গ্রহণ, উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি বণ্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দেওয়ানি বিষয়গুলিতে একটি অভিন্ন আইনি কাঠামো গড়ে তোলাই এই বিলের মূল লক্ষ্য। প্রশাসনিক মহলের একাংশের দাবি, রাজ্যের সামাজিক বাস্তবতা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নিজস্ব মতামত বিবেচনা করেই এই বিলের চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করা হয়েছে।
বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, দেশের সংবিধানের নির্দেশমূলক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনের চোখে সমস্ত নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতেই সরকারের এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ। শাসক শিবিরের দাবি, ধর্মভিত্তিক পৃথক দেওয়ানি আইনের পরিবর্তে একটি অভিন্ন আইনি ব্যবস্থা রাজ্য তথা সমাজে লিঙ্গসমতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বিশেষ করে নারীদের অধিকার রক্ষায় এটি বড় পদক্ষেপ। তবে বিলটি বিধানসভায় পেশ হওয়ার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে পারদ চড়তে শুরু করেছে। এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, এই ধরনের আইন মানুষের সামাজিক ও ধর্মীয় ভাবাবেগের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ফলে সর্বস্তরে বিস্তারিত আলোচনা এবং সব পক্ষের সহমত না নিয়ে এভাবে তড়িঘড়ি বিল আনা উচিত নয়।
আরও পড়ুন- নির্মাণ বন্ধে শ্রমিকদের কী হবে? বিধানসভার করিডরে শুভেন্দুকে প্রশ্ন কুণালের
_
_

















