কলকাতা ৩৫°সে
ব্রেকিং
রাজপথের পদধ্বনিই স্বীকৃতির মাপকাঠি: দলনেত্রীর মিছিলের পক্ষ নিয়ে  ধান্দাবাজদের কটাক্ষ কুণালেরনাবালিকা ধর্ষণ-খুনে বিক্ষোভ বারুইপুরে! নির্যাতিতার বাবাকে ফোন মুখ্যমন্ত্রীরমেসিকাণ্ডে অরূপকে ফের হাজিরার নোটিশ পুলিশেররামের নামেই রাজনীতি, এখন মন্দিরের প্রণামীও চুরি! বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতারঘরছাড়া পরিবারকে ঘরে ফেরাতে মোটা টাকা দাবি! কাঠগড়ায় বসিরহাটের বিজেপি মণ্ডল সভাপতি'বিজেপি স্পনসর্ড' বেইমানরা দলের প্রতীক পাবে না! বিজেপি- কমিশনকে একযোগে নিশানা মমতার'বিজেপি স্পনসর্ড' বেইমানরা দলের প্রতীক পাবে না! বিজেপি- কমিশনকে একযোগে নিশানা মমতার‘ভবন তৃণমূলেরই’, বিরোধীদের কুৎসা নস্যাৎ করে নথি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো‘আপনার রাজনীতির অ-আ-ক-খ তৃণমূলেই’: শুভেন্দুকে অতীত মনে করালেন মমতা‘বাচ্চাদের পাতে ডিম নেই, আপনারা হাট্টিমাটিম করছেন!’ বিজেপিকে তীব্র তোপ মমতাররাজপথের পদধ্বনিই স্বীকৃতির মাপকাঠি: দলনেত্রীর মিছিলের পক্ষ নিয়ে  ধান্দাবাজদের কটাক্ষ কুণালেরনাবালিকা ধর্ষণ-খুনে বিক্ষোভ বারুইপুরে! নির্যাতিতার বাবাকে ফোন মুখ্যমন্ত্রীরমেসিকাণ্ডে অরূপকে ফের হাজিরার নোটিশ পুলিশেররামের নামেই রাজনীতি, এখন মন্দিরের প্রণামীও চুরি! বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতারঘরছাড়া পরিবারকে ঘরে ফেরাতে মোটা টাকা দাবি! কাঠগড়ায় বসিরহাটের বিজেপি মণ্ডল সভাপতি'বিজেপি স্পনসর্ড' বেইমানরা দলের প্রতীক পাবে না! বিজেপি- কমিশনকে একযোগে নিশানা মমতার'বিজেপি স্পনসর্ড' বেইমানরা দলের প্রতীক পাবে না! বিজেপি- কমিশনকে একযোগে নিশানা মমতার‘ভবন তৃণমূলেরই’, বিরোধীদের কুৎসা নস্যাৎ করে নথি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো‘আপনার রাজনীতির অ-আ-ক-খ তৃণমূলেই’: শুভেন্দুকে অতীত মনে করালেন মমতা‘বাচ্চাদের পাতে ডিম নেই, আপনারা হাট্টিমাটিম করছেন!’ বিজেপিকে তীব্র তোপ মমতার
রাজ্য

এক দিকে ‘জনতার বিধানসভা’, অন্য দিকে সাংবাদিকদের পথ রুদ্ধ! অধ্যক্ষের ডিজিটাল দাওয়াই ঘিরে তুঙ্গে দ্বিচারিতার বিতর্ক

এক দিকে ‘জনতার বিধানসভা’, অন্য দিকে সাংবাদিকদের পথ রুদ্ধ! অধ্যক্ষের ডিজিটাল দাওয়াই ঘিরে তুঙ্গে দ্বিচারিতার বিতর্ক

এক দিকে বিধানসভাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও জনমুখী করে তোলার একগুচ্ছ রূপরেখা, অন্য দিকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের প্রবেশাধিকারে অলিখিত নিয়ন্ত্রণ। বৃহস্পতিবার বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুর একগুচ্ছ হাইটেক ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য ও দ্বিচারিতার ছবি সামনে এল। একদিকে যখন দাবি করা হচ্ছে এই বিধানসভা আসলে ‘জনতার বিধানসভা’, ঠিক তখনই প্রশ্ন উঠছে, সংবাদমাধ্যমের হাত-পা বেঁধে তথ্যের এই অবাধ প্রবাহ কতটা বাস্তবসম্মত? নাকি ডিজিটাল চাদরে আসলে সত্য গোপনের এক নয়া কৌশল তৈরি হচ্ছে?

বিধানসভা সূত্রের খবর, আগামী ১০০ দিনের মধ্যে এই আইনসভাকে পুরোপুরি ‘পেপারলেস’ বা কাগজবিহীন করা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মতো একাধিক আধুনিক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন অধ্যক্ষ। তাঁর দেওয়া বার্তায় বারবার উঠে এসেছে বিধানসভাকে আমজনতার দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার চটকদার খতিয়ান। স্কুল ও আইন পড়ুয়াদের পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিধানসভার দরজা উন্মুক্ত করার কথাও বলেছেন তিনি। কিন্তু এই আকর্ষণীয় মোড়কের ভেতরেই লুকিয়ে রয়েছে এক অস্বস্তিকর ধন্দ। বিধানসভার অলিন্দে যেখানে সাংবাদিকদের অবাধ যাতায়াত ও স্বাধীনভাবে খবর সংগ্রহের অধিকার কার্যত সংকুচিত ও সীমাবদ্ধ, সেখানে এই স্বচ্ছতার ঢোল পেটানো কতটা বিশ্বাসযোগ্য, তা নিয়ে ইতিউতি কানাঘুষো শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

অধ্যক্ষ নিজে জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ যাতে সরাসরি সমস্ত তথ্য জানতে পারেন এবং নিজস্ব মতামত বা পরামর্শ দিতে পারেন, তার জন্য বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়া হবে। এমনকি অধিবেশন কক্ষের সরাসরি সম্প্রচারের বন্দোবস্তও করা হচ্ছে। ঠিক এই জায়গাতেই তীব্র আপত্তি তুলছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। তাঁদের মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রে জনগণ ও বিধানসভার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নিরপেক্ষ সেতুবন্ধন হলো সংবাদমাধ্যম। সেই সংবাদমাধ্যমকেই যদি সুকৌশলে দূরে সরিয়ে রাখা হয়, তবে ডিজিটাল স্বচ্ছতার দাবি ধোপে টেকে না। ওয়াকিবহাল মহলের আশঙ্কা, সাংবাদিকদের স্বাধীন পর্যবেক্ষণের সুযোগ কেড়ে নিয়ে কেবল ‘সরাসরি সম্প্রচার’-এর ওপর নির্ভরতা বাড়ানো মানে আসলে তথ্যপ্রবাহকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা। অর্থাৎ, সরকার বা শাসক দল যেটুকু ছবি ও বার্তা জনসমক্ষে আনতে চায়, ঠিক ততটুকুই পৌঁছাবে আমজনতার কাছে। এটি আদতে একপাক্ষিক সরকারি প্রচার ব্যবস্থা চালু করারই নামান্তর, যা সংবাদ পরিবেশনের স্বাধীনতা ও সমালোচনামূলক পর্যালোচনার ক্ষেত্রকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবে।

এই আধুনিকীকরণের হুজুগের আবহে আরও কিছু মৌলিক প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, যখন স্কুল পড়ুয়া বা প্রবীণ নাগরিকদের পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর মতো ‘উদারতা’ দেখানো হচ্ছে, তখন বছরের পর বছর ধরে বিধানসভার কার্যক্রম নিখুঁতভাবে তুলে ধরা পেশাদার সাংবাদিকদের ভূমিকা কেন ক্রমশ কোণঠাসা করা হচ্ছে? গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতার প্রধান শর্তই হলো স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের অবাধ উপস্থিতি। সেই বুনিয়াদি অধিকারটুকু কেড়ে নিয়ে আমজনতার কাছে পৌঁছানোর দাবি হাস্যকর। সমালোচকদের স্পষ্ট দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তি বা পেপারলেস ব্যবস্থার জাঁকজমকের চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো— এই বিধানসভা কি সত্যিই সমালোচনা, প্রশ্ন এবং স্বাধীন মতপ্রকাশের জন্য উন্মুক্ত থাকবে? নাকি প্রযুক্তির আড়ালে দফতরে দফতরে একদলীয় নিয়ন্ত্রণ কায়েম করাই আসল লক্ষ্য? আগামিকাল বা আগামী দিনে এই নয়া নিয়ম কার্যকর হলে তা সংসদীয় গণতন্ত্রের মর্যাদাকে কতটা অক্ষুণ্ণ রাখবে, তা নিয়ে বড়সড় সংশয় তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন- আদালতের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! ফলতায় ফের অভিযুক্তকে হাফ প্যান্ট পরিয়ে রাস্তায় হাঁটাল পুলিশ

_

_

Sponsored

Sranchi In Article

_

Sponsored

Merlin In Article

_

Sponsored

Camelia In Article

_

Sponsored

Techno India In Article

_

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Probe In Article

আরও পড়ুন

শিরোনাম

রাজপথের পদধ্বনিই স্বীকৃতির মাপকাঠি: দলনেত্রীর মিছিলের পক্ষ নিয়ে  ধান্দাবাজদের কটাক্ষ কুণালের

৬/৭/২০২৬1 মিনিট পড়া
রাজ্য

১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ ফুটের মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শাহের

৬/৭/২০২৬1 মিনিট পড়া
শিরোনাম

একের পর এক প্রশাসনিক কাজে শিক্ষকরা, স্কুলের পঠনপাঠন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

৬/৭/২০২৬1 মিনিট পড়া
শিরোনাম

কামারহাটি পুরসভার নয়া চেয়ারম্যান নিয়ে বিতর্ক! বিস্তারিত রিপোর্ট তলব শমীকের

৬/৭/২০২৬1 মিনিট পড়া
রাজ্য

আদালতে হারাব, জনতার আদালতেও হারাব: কমিশনে নথি পেশ করে প্রত্যয়ী কল্যাণ

৬/৭/২০২৬1 মিনিট পড়া
রাজ্য

আদালতে হারাব, জনতার আদালতেও হারাব: কমিশনে নথি পেশ করে প্রত্যয়ী কল্যাণ

৬/৭/২০২৬1 মিনিট পড়া

More from রাজ্য

View All →