আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রুপ-ডি তে নিয়োগ দুর্নীতির গভীরতা এবং জালিয়াতি চক্রের জাল মেলাতে গিয়ে সিবিআই-এর তরফে মোট ৪টি পৃথক এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। সেই সুবাদে আলাদা আলাদা ৪টি ধারায় সমান্তরাল মামলাও রুজু হয়। তবে দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, এই ৪টি মামলার চরিত্র এবং অপরাধের যোগসূত্র যেহেতু একই, তাই নিম্ন আদালতে সব কটি মামলাকে একত্রিত বা ‘ক্লাব’ করে যৌথভাবে মামলার একচেটিয়া শুনানি শুরু করা হোক।
সিবিআই-এর মূল অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের সেই স্পষ্ট গাইডলাইন বা নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও নিম্ন আদালত যৌথ শুনানি বা বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আইনি অনুমোদন দিচ্ছে না। ফলে থমকে রয়েছে গোটা প্রক্রিয়াটি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই আবেদনের পর হাইকোর্টের গ্রীষ্মাবকাশের পর এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গ্রীষ্মের ছুটির পর আদালত খুললে এই হাইভোল্টেজ মামলার জট কাটে কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আইন মহল থেকে শুরু করে চাকরিপ্রার্থীরা।
আরও পড়ুন- অভিষেকের সম্পত্তির তালিকা বিজেপির নেতারা প্রকাশ করছেন না, স্পষ্ট করলেন কুণাল
_
_

















