বিলে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলেন। তারপরেও বিল আইনে পরিণত হল না ৩ বছর ধরে। এবার ডিলিমিটেশনের ছাতার তলায় সেই মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women Reservation Bill) ফের লোকসভায় পেশ করে চক্রান্তের চেষ্টা কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের। শুক্রবার সেই চক্রান্ত ব্যর্থ হওয়ার পরে বিরোধীদের নারী বিরোধী (anti-women) বলে প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। আদতে নতুন করে পুরোনো বিল পাসের চেষ্টা করে যে মিথ্যাচার বিজেপি লোকসভায় করেছে, আরও একবার তার মুখোশ খুলে দিলেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। ২০২৩ সালে লোকসভায় পাস হওয়া বিল আবার পেশের দাবি জানালেন তিনি।
Sponsored

মহিলাদের জন্য সংসদ ও রাজ্যের বিধানসভাগুলিতে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাবকে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে পাস করার ষড়যন্ত্র শুক্রবার ভোটাভুটিতে ফেল করে। এরপর কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলিকে মহিলা সংরক্ষণ বিরোধী প্রমাণের চেষ্টায় কংগ্রেস সাংসদ তথা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বাড়ির বাইরে শনিবার বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির মন্ত্রীরা। বিক্ষোভ দেখানো হয় সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের বাড়ির বাইরেও। সেখান থেকেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) দাবি করেন, সর্বসম্মতিক্রমে যে মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women Reservation bill) ২০২৩ সালে পাস হয়েছিল সেই বিল ফেরৎ নিয়ে আসুন। গোটা বিরোধী জোট প্রস্তুত রয়েছে মহিলা সংরক্ষণকে সমর্থন করতে। মোদি সরকারের উচিত ২০২৩ সালের বিলকে আইনে কার্যকর করা এবং মহিলাদের তাঁদের অধিকার তুলে দেওয়া।
Sponsored

শুক্রবার লোকসভায় ধাক্কা খাওয়ার পরে বিজেপির নেতারা প্রচার করছেন ১৬ এপ্রিলকে কালো দিন হিসাবে। কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী স্পষ্ট দাবি করেন, শুক্রবার মোদি সরকার প্রথম কোনও বড় ধাক্কা খেয়েছে। তাই তারা এই দিনকে কালো দিন বলে প্রচার করছে। সেই সঙ্গে বিজেপি যে এই পথে গিয়ে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা আরও হারাচ্ছে, তার দাবি করে প্রিয়াঙ্কা জানান, ২০২৩ সালে বিল পাস হওয়ার পরও বিজেপি সেই আইন কার্যকর করেনি। ফলে এখন অমিত শাহ যে লোকসভায় বলছেন তাঁদের বিশ্বাস করার কথা, তাতে মানুষ বুঝতে পারছেন তাঁদের মিথ্যাচার। এরপরও দেশের মানুষ কীভাবে তাঁদের বিশ্বাস করবেন, প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কার (Priyanka Gandhi)।
Sponsored

Sponsored

ডিলিমিটেশন বিলের প্রতিবাদ করার পাশাপাশি শনিবার থেকেই মহিলা সংরক্ষণ বিলকে আইনে পরিণত করার দাবি জোরালো করে বিরোধীরা। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দাবি তোলেন, ২০২৩ সালে পাস হওয়া বিল নিয়ে আসুন। তাতে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে ব্যবস্থা করুন যাতে তা ২০২৯ সালের মধ্যে লাগু করা যায়। বিজেপি এখন যত পারে নাটক করতে পারে। কিন্তু মানুষ বুঝে গিয়েছে বিজেপি নিজেদের কথায় ঠিক থাকে না। যে পথে মহিলা সংরক্ষণ বিলকে ডিলিমিটেশন বিল (Delimitation bill) ও ২০১১ সালের জনগণনার (Census 2011) সঙ্গে জুড়ে পেশ করা হয়েছে, তাতে বিজেপিও জানতে এই বিল পাস হবে না। এবং তার থেকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে পারবে বিজেপি।
Sponsored

-
Sponsored

-
-
-
-
More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







