মধ্যরাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ, তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পুরো বাড়ির তল্লাশির নির্যাস কী? শূন্য। অন্তত সিজার লিস্ট তো তেমন কথাই বলছে। তাহলে এই হয়রানি, অপদস্ত করার চেষ্টা কেন? সকাল ছটা থেকে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত তন্নতন্ন করে অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও আর্থিক দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত সুমিত রায়কে (Sumit Roy) খুঁজে পায়নি শালবনি থানার পুলিশ (Shalbani Police Station)। এরপরই এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি সরকারকে বেনজির আক্রমণ করেছেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghosh)। শাসক দল বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, 'রাজনৈতিক প্রতিহিংসা' চরিতার্থ করতে ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে খবরের শিরোনামে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি শান্তিনিকেতন। সাংসদের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজে টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে তল্লাশি চালায় শালবনি থানার পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্তকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে যান মমতাও। পুলিশ চলে গেলে ক্ষুব্ধ সাংসদ বলেন, যাঁরা তল্লাশি করেছেন তাঁরা বলতে পারবেন কেন এসেছিলেন। এরপরই এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপিকে বিঁধে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্রোনোলজি তুলে ধরে সাগরিকা লেখেন, 'ভোর ৩টে: শনিবার ঠিক রাত ৩টের সময় কলকাতার কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে এসে পৌঁছয় পুলিশের একটি বড় টিম।ভোর ৫টা: দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর, বাড়ির দরজা বা ভেতরের লক খোলার জন্য ডেকে আনা হয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (Disaster Management Team)-কে। তারা এসে শেষমেশ তালা ভাঙেন।সকাল ৬:৩০টা: বাড়ির দোতলা থেকে শুরু করে ছাদ পর্যন্ত তন্নতন্ন করে প্রায় ৯০ মিনিটের তল্লাশি চালায় পুলিশ।ফলাফল কী? সিজার লিস্ট বলছে শূন্য। অর্থাৎ কিচ্ছু মেলেনি।' এরপরই আক্রমণাত্মক মেজাজে সাগরিকার মন্তব্য, "এটা আর কিচ্ছু নয়, স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ভয় দেখানো এবং মানসিক নির্যাতন চালানোর অপচেষ্টা। যারা বিজেপির ফতোয়া বা ডিক্ট্যাট মেনে নিতে অস্বীকার করছে, ‘অপারেশন লোটাস’ বেছে বেছে সেই সমস্ত বিরোধী নেতাদেরই টার্গেট করছে।একজন শীর্ষ সারির বিরোধী নেতার উপর এই ধরনের আক্রমণ অত্যন্ত লজ্জাজনক। এটা অত্যন্ত প্রতিহিংসামূলক, চক্রান্তকারী এবং নীচ স্তরের নোংরা কৌশল। ধিক্কার!” - - - - - -