কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুশান্ত ঘোষ (Sushanta Ghosh), অরূপ চক্রবর্তীর (Arup Chakrabotry) পরে তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। “আমার মন আর কোনও ভাবে সম্মতি দেয় না যে এই দুর্নীতিগুলোকে সমর্থন করতে হবে। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জাতীয় মুখপাত্রের পদ থেকে ইস্তফাপত্র পাঠালাম“- বলে স্যোশাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে জাতীয় মুখপাত্রের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূল নেতা ডাঃ শান্তনু সেন (Shantanu Sen)। বৃহস্পতিবার, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। সেখানে তিনি লেখেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলার মানুষ যখন আর জি কর কাণ্ড, অভয়া কাণ্ড, চাকরি বিক্রি-সহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ ও দুর্নীতির জন্য আমাদের প্রত্যাখ্যান করেছে, সেই অবস্থায় আমার মন আর কোনওভাবেই মুখপাত্র হিসেবে এগুলোকে সমর্থন করার সম্মতি দিচ্ছে না।“ শান্তনুর পদ ছড়ার প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, "শান্তনু আমার বন্ধু। ও তো কিছুদিন আগেই আবার পদ নিল। পার্টির সঙ্গে দূরত্ব মিটল। পার্টি খারাপ হলে ও ফিরল কেন?"
Sponsored

আর জি কর-কাণ্ডের সময় শান্তনু সেনের (Shantanu Sen) ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়ে দল তাঁকে সাসপেন্ড করে। তবে, নির্দিষ্ট সময় পেরোনোর আগেই সেই সাসপেনশন প্রত্যাহার করে চিকিৎসক নেতাকে তৃণমূলে (TMC) ফিরিয়ে জাতীয় মুখপাত্র পদে বহাল করা হয়। রাজ্যে পালাবদলের পরে নতুন করে আর জি কর ফাইল খোলার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই মতো কমিটিও গঠন হয়েছে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিলেন শান্তনু।
Sponsored

এদিন ভিডিও বার্তায় শান্তনু বলেন, "তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে ছিলাম আমি। দল আমাকে যখন যা দায়িত্ব দিয়েছিল, নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। দল আমাকে জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব দিয়েছিল। এমন বহু ঘটনা, যাকে কোনও ভাবে সমর্থন করা যায় না, মন সায় দেয় না, সাধারণ মানুষ সমর্থন করতে পারেন না...তা জেনেও শুধুমাত্র দলের মুখপাত্র হিসেবে সর্বত্র ডিফেন্ড করতে করতে গিয়েছি। তার জন্য অনেক কথা শুনেছি, হজম করেছি। কিন্তু রাজনীতিটা মানুষের জন্য। সেই বাংলার মানুষ ২০২৬ সালের ৪ মে বিপুল মতদানের মাধ্যমে যখন বুঝিয়ে দিলেন যে চাকরি চুরি, আর জি কর কাণ্ড, অভয়াকাণ্ড-সহ পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন তাঁরা, সেক্ষেত্রে মানুষের রায়কে মাথা পেতে নিয়ে হার স্বীকার করা উচিত। এর পর আমার মন আর কোনও ভাবে সম্মতি দেয় না যে দুর্নীতিগুলিকে সমর্থন করতে হবে। তাই আজ তৃণমূলের সভানেত্রী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জাতীয় মুখপত্রের পদ থেকে সরে যাওয়ার ইস্তফাপত্র পাঠালাম।"
Sponsored


Sponsored

চিঠিতে নিজেকে তৃণমূলের ‘অনুগত সৈনিক’ বলে দাবি করে শান্তনু লিখেছেন, "বিভিন্ন কঠিন সময়ে মন সায় না দিলেও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে দলের হয়ে লড়াই করেছি, যার জন্য সাধারণ মানুষ আমাকে অনেক সময় কথা শুনিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলার মানুষ যখন আর জি কর কাণ্ড, অভয়া কাণ্ড, চাকরি বিক্রি-সহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ ও দুর্নীতির জন্য আমাদের প্রত্যাখ্যান করেছে, সেই অবস্থায় আমার মন আর কোনওভাবেই মুখপাত্র হিসেবে এগুলোকে সমর্থন করার সম্মতি দিচ্ছে না।"
Sponsored

শান্তনু সেনের পদ ছড়ার প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, "শান্তনু আমার বন্ধু। ও তো কিছুদিন আগেই আবার পদ নিল। পার্টির সঙ্গে দূরত্ব মিটল। পার্টি খারাপ হলে ও ফিরল কেন? ভোটের আগেই তো ফিরল। দিদি মুখ্যমন্ত্রী হলে ও ইস্তফা দিত না। তবে আমরা বন্ধু"।
Sponsored

-
-
-
-
-
More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







