পঞ্চায়েত দফতরের মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পরে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলার পঞ্চায়েতে ডবল ইঞ্জিন সুবিধা পাইয়ে দিতে বদ্ধপরিকর পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। নতুন করে কেন্দ্রের সহযোগিতায় রাজ্যে নতুনভাবে একদিকে একাধিক প্রকল্প শুরু করার ঘোষণা করলেন দিলীপ। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত দফতর ব্যাপক নিয়োগের (recruitment) ঘোষণাও করলেন মন্ত্রী।
Sponsored

পঞ্চায়েত দফতরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, বাংলার গ্রামীণ মানুষের জীবন যদি পরিবর্তন হয় তবে বাংলার পরিবর্তন হবে। তবে ভারতবর্ষের পরিবর্তন হবে। সেই কঠিন কাজটি আমাদের দিয়েছেন। চেষ্টা করছি।
Sponsored

দফতরে নিয়োগের প্রসঙ্গে মন্ত্রী দিলীপ স্পষ্ট করে দেন, এই দফতরে ১১ হাজারের বেশি পদ খালি আছে। গত বৈঠকে সাড়ে ৬ হাজার পদে নিয়োগের অনুমতি চেয়েছিলাম। কিন্তু ১১,৯৫৪ পদে একসঙ্গে নিয়োগ (recruitment) না হলে কাজ ঠিক মতো করা সম্ভব হবে না। ৬৫৩৬টি পদ সরাসরি নিয়োগের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।
Sponsored

গ্রামীণ সড়ক নিয়ে ঘোষণা: গ্রাম সড়ক যোজনা ২৭৯০ কিমি গ্রামীণ রাস্তা ও ৪৫ টি সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রায় ২৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণের কাজে ব্যয় হবে।
Sponsored

MGNREGS নিয়ে ঘোষণা: জুন মাস পর্যন্ত এমজিএনআরইজিএ (MGNREGA) চলবে। তারপর জিরামজি প্রকল্প শুরু হবে। ২.৫৬ কোটি কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে নতুন করে কাজ শুরু হচ্ছে। সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। প্রশিক্ষণের কাজ শেষ হয়েছে।
Sponsored

গ্রামীণ জীবিকা মিশন: গ্রামীণ বিকশিত ভারত জীবিকা মিশন (গ্রামীণ) প্রকল্পে বিজ্ঞপ্তি জারি, স্টেয়ারিং কমিটি গঠন, অংশীদারদের প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যেই চলছে। যোগ্য জবকার্ডধারী পরিবারগুলি এক অর্থবর্ষে ১২৫ দিনের মজুরিযুক্ত কর্মসংস্থানের অধিকারী হবেন। আইন অনুযায়ী ৬০টি কর্মহীন দিনের সংস্থানও থাকবে। প্রকল্পের বার্ষিক খরচ ১২৮৫০ কোটি অতিক্রম করবে।
Sponsored

আবাস যোজনা: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) সমীক্ষা শুরু হয়েছে। ২০ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে শেষ হবে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদন হবে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠী সম্পর্কে: ১ লক্ষ নতুন স্বনির্ভর গোষ্ঠী (self help group) গঠন হবে। প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ঋণের ব্যবস্থা করা। প্রতিটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্য সাড়ে ৩ কোটি ঋণের ব্যবস্থা করা হবে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আগেও সমস্ত পঞ্চায়েতকে আগে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। কোথাও বাড়ি, কোথাও শেড তৈরি থেকে মেশিন লাগানো হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা দেখে নিচ্ছি কোথায় সমস্যার কারণে আটকে গিয়েছে।
আরও পড়ুন : ফের সরকারি প্রকল্পের নাম বদল! ‘মা ক্যান্টিন’ এবার ‘মা আহার’, ডিম সরিয়ে মাছ-ভাতের বিজ্ঞাপন
দিশা বৈঠক: জেলা উন্নয়ন সমন্বয় ও পর্যবেক্ষক কমিটি প্রতি মাসে বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখানে সাংসদরা চেয়ারম্যান হন। জেলাশাসকের মাধ্যমে উন্নয়নের কাজ চলে। জেলায় জেলায় সেই দিশা কমিটি তৈরি হচ্ছে। সেখানে সাংসদ থেকে বিধায়করা থাকবেন। যাতে সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়নের কাজ হয়।
More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







