বিজেপি জমানায় শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড় সড় প্রশ্নের মুখে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিট পরীক্ষায় (NEET Exam) বসা পরীক্ষার্থীরা বাধ্য হয়েছেন আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বৃহৎ আন্দোলনও করেছে সিজেপি (CJP)। তারই মধ্যে আবার বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) আরও এক দুর্নীতির জলজ্যান্ত প্রমাণ সামনে এল। ডবল ইঞ্জিন মধ্যপ্রদেশে সরকারি হাসপাতালে বসে ভুয়ো চিকিৎসক। ভুয়ো এমবিবিএস (MBBS) ডিগ্রি এবং জাল মেডিক্যাল কাউন্সিল রেজিস্ট্রেশন নম্বর (Medical Council Registration Number) ব্যবহার করে বছরের পর বছর সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করে গিয়েছেন এক জন নয়, একাধিক ব্যক্তি!
সরকারি হাসপাতালে ভুয়ো ডাক্তার! আবার সেই ডবল ইঞ্জিন মধ্যপ্রদেশের ছবি
Sponsored

প্রথমে মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলায় (Damoh) এই চক্রের হদিশ মেলে। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (National Health Mission) অধীনে পরিচালিত সঞ্জীবনী ক্লিনিকে (Sanjeevani Clinic) কর্মরত তিন চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের কাছে বিএডিএস (BADS) ডিগ্রি এবং অন্যজনের কাছে বিএইচএমএস (BHMS) ডিগ্রি ছিল। অথচ জাল নথির সাহায্যে নিজেদের এমবিবিএস চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে সরকারি চাকরি পান তাঁরা। অভিযোগ, আসল চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। চমকপ্রদভাবে একজন চিকিৎসকের জাল নথি তৈরি করতে খরচ করতে হয়েছে মাত্র ১০ লক্ষ টাকা! আরও পড়ুন:প্রথম কর্মসূচির সাফল্য ঘোষণা: CJP-কে সমর্থন অখিলেশ-কেজরি-শিবসেনার
Sponsored

অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছেন। প্রতিদিন বহু রোগী দেখেছেন, প্রেসক্রিপশনও দিয়েছেন। অথচ মেডিক্যাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর একবার অনলাইনে যাচাই করলেই এই জালিয়াতি ধরা পড়তে পারত। তা সত্ত্বেও কীভাবে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হল এবং এতদিন ধরে কাজ চালিয়ে যেতে দেওয়া হল, তা নিয়ে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন। স্বাস্থ্য দফতরের তদারকি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাও এখন প্রশ্নের মুখে।
Sponsored

এই জাল চিকিৎসকের চক্র শুধু একটি জেলায় থেমে থাকেনি। দামোহে জেলার পরে চক্র ছড়িয়েছে ভোপালেও। ১০ লক্ষ টাকায় ডাক্তারি ডিগ্রি কেনার ধুম সেখানেও। ভোপালের আরও ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁরা যে রেজিস্ট্রেশন নম্বর জমা দিয়েছিলেন, সেগুলি আসলে অন্য প্রকৃত চিকিৎসকদের নামে নথিভুক্ত। অভিযোগ, আসল নথির কপি সংগ্রহ করে তা বদলে নিজেদের নামে ভুয়ো শংসাপত্র তৈরি করা হয়েছিল। এই জাল নথি দেখিয়েই সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি পেয়েছিলেন তাঁরা। এর পিছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
Sponsored

এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। এনএইচএম ও সঞ্জীবনী ক্লিনিকের অধীনে কর্মরত ২ হাজারেরও বেশি চুক্তিভিত্তিক চিকিৎসকের ডিগ্রি ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, যাচাইয়ের সময় কোনও গরমিল বা জালিয়াতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের চাকরি বাতিল করা হবে। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
Sponsored

-
Sponsored

-
-
-
-
More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







