রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। সদ্য ক্ষমতায় আসা বাংলার বিজেপি সরকার দাবি করছে বাংলায় এবার তেমন কোনও হিংসার ঘটনাই ঘটেনি। তারপরেও পরপর দ্বিতীয় দিন রাতের অন্ধকারে জ্বালিয়ে দেওয়া হল দোকান বাজার (shops set ablaze)। ঘটনাস্থল সেই পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি (Khejuri)। বিজেপির বিভাজনের নীতি ও নির্দিষ্ট এক শ্রেণির মানুষের উপর সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সরব তৃণমূল কংগ্রেস সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। খেজুরি ২ ব্লকের জনকা অঞ্চলের পশ্চিম ভাঙানমারী গ্রামে রবিবার রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় অন্তত ১০টি দোকানে। সেই ঘটনা তুলে ধরে অভিষেকের দাবি, বাংলা ইতিমধ্যেই ডবল ইঞ্জিন দুর্ভোগের (double engine disaster) সাক্ষী হয়েছে। খেজুরিতে পুলিশের সামনেই ১০টি দোকানে আগুন দেওয়া হল। বিজেপির দুষ্কৃতীদের জন্য এই মানুষগুলোর সমগ্র জীবনযাত্রা প্রশ্নের মুখে। কারণ ঘৃণা আর ভয় দেখানোকেই রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে যেভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক নিজে, সেই আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত হওয়ার দাবি অভিষেকের। তিনি দাবি করেন, এটাই অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপির প্রচার করা রাজনীতির আসল মুখ – বিভাজন, ভয় আর কোনওরকম দায়মুক্তভাবে নির্দিষ্ট শ্রেণির বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানো। সেই সঙ্গে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) প্রশ্ন, এখন কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) কোথায়? না কি তাদের শুধুই বিজেপির রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য মোতায়েন করা হয়? দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কি বাংলার এই জ্বলতে থাকা অবস্থা শুধুই চুপ করে দেখছেন? আরও পড়ুন : আবারও বিজেপির আগুন-সন্ত্রাস! খেজুরিতে পরপর পুড়ে ছাই দোকান  ক্ষমতায় আসার এক সপ্তাহের মধ্যে যে ইঙ্গিত বিজেপির বাংলার সরকার দেখাচ্ছে তা নিয়ে অভিষেকের সতর্ক বার্তা, যদি দিনের আলোয় দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, কোনও একটি শ্রেণিকে ভয় দেখানো চলতে থাকে, তাহলে আইন শৃঙ্খলার কি বাকি থাকে? যে বার্তা দেওয়া হচ্ছে সেটা মারাত্মক – বিজেপির ছত্রছায়ায় সন্ত্রাসকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। মর্নিং শোজ দ্য ডে। - - -