এর পরে বারাসত পুলিশ জেলার পক্ষ লেখা হয়, “আমরা সকলকে অনুরোধ করছি: অযাচাইকৃত বা উস্কানিমূলক বিষয়বস্তু শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন তথ্যের জন্য কেবল খাঁটি এবং বিশ্বাসযোগ্য উৎসের উপর নির্ভর করুন কোনও বিভ্রান্তিকর বা উস্কানিমূলক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট আমাদের জানান পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার অপপ্রচেষ্টার প্রতি শূন্য সহনশীলতার নীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ধরনের ভুল তথ্য এবং ভুয়ো পোস্ট নজর এড়িয়ে যাবে না এবং এই ধরনের পোস্ট করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।“ এই প্রসঙ্গে বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ওই প্রাথমিক স্কুলে সরস্বতীপুজো আগে কখনও হয়নি। সেই কারণেই এবারও পুজোর ব্যবস্থা ছিল না বা অনুমতিও ছিল না। বহিরাগত কিছু যুবক স্কুল চত্বরের মধ্যে জোর করে পুজো করতে চায়। স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকায় পুলিশ তাদের আটকায়। তাদের বাইরে পুজো করার অনুরোধ জানায়। - - - - - - -It has come to our notice that certain social media posts are circulating misleading and false narratives regarding Saraswati Puja in a school under the Barasat PD jurisdiction. These claims are factually incorrect and have the potential to disturb social harmony.
No directive… — Barasat District Police (@BarasatPolice) January 23, 2026
বারাসতের প্রাথমিক স্কুলে সরস্বতীপুজো নিয়ে ভুয়ো পোস্ট! সতর্ক করে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি জেলা পুলিশের
বারাসতের (Barasat) ময়নার (Moina) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরস্বতীপুজো নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর রটানো হচ্ছে। অফিশিয়াল পোস্টে জানাল বারাসত জেলা পুলিশ (Barasat District Police)। ময়নাগদি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুজো করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয় বলে গুজব ছড়ায়। সেই বিষয় নিয়ে সাময়িক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কিন্তু বারাসত পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করার জন্য প্রশাসন বা পুলিশ কোনও নির্দেশ জারি করেনি।“ এই ধরনের ভুয়ো পোস্ট করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
অভিযোগ, ময়নাগদি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরস্বতীপুজো (Saraswati Pujo) বন্ধ। এবছর পড়ুয়া ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে স্কুল প্রাঙ্গণে পুজো করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। পুজোর দিন সকালে প্রতিমা নিয়ে স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, গেটে তালা ঝুলছে। সেই সময় স্কুলের ভিতরে ঢুকতে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এই গুজব রটতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে ফুটপাতে পুরোহিত এনে পুজো হয়। স্থানীয় কিছু মানুষকে উস্কানি দিয়ে বহিরাগত কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থক পুজো করবে বলে স্কুলের ভিতরে জোর করে ঢুকে পড়েছিল বলে বক্তব্য এলাকাবাসীর ।
এই বিষয় নিয়ে বারাসত পুলিশ জেলার (Barasat District Police) পক্ষ থেকে এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট করে বলা হয় যে,
“আমাদের নজরে এসেছে যে বারাসত পুলিশ জেলার অধীনে একটি স্কুলে সরস্বতীপুজো সম্পর্কে কিছু সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যা গুজব প্রচার করা হচ্ছে। এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ ভুল। এতে সামাজিক সম্প্রীতির বিঘ্ন ঘটতে পারে।
কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করার জন্য প্রশাসন বা পুলিশ কোনও নির্দেশ জারি করেনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সিদ্ধান্তগুলি প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম এবং আইনি বিধানের কাঠামোর মধ্যে কঠোরভাবে নেওয়া হয়।“
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







