রাজধানীর (Delhi Crime) নিরাপত্তা নিয়ে যখন পুরোটাই ভাগ্যের হাতে ছেড়ে রেখেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), তখন সেখানে খুনিরা নিরাপদ আর আক্রান্তরা ভয়ে বাঁচবেন, সেটাই যেন দস্তুর। তারই প্রমাণ মিলল আরও একবার। খুনের ঘটনায় অভিযুক্তরা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অপেক্ষা করল রাজধানীর রাস্তায়। সেটাও সকালবেলায়। টের পেল না অমিত শাহর পুলিশ। তারপর খুনের সাক্ষীকে রীতিমত নাম জিজ্ঞাসা করে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে পালালো। নেটফ্লিক্সের থ্রিলার সিরিজও ফেল করবে দিল্লির এই খুনের ঘটনায়।
নাম জিজ্ঞাসা করেই গুলি! দিল্লিতে খুনের অপরাধীরা মেরে ফেলল সাক্ষী স্ত্রীকেও
Sponsored

মৃতার নাম রচনা যাদব(৪৪)। তিনি শালিমার বাগেরই বাসিন্দা এবং এলাকার RWA প্রেসিডেন্ট ছিলেন। শনিবার সকাল ১১ টা নাগাদ এক প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে ফিরছিলেন রচনা। সেই সময় দু’জন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে একটি স্পোর্টস বাইকে অপেক্ষা করছিল। রচনা নিজের পরিচয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র বার করে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতদেহের পাশ থেকেই একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে।
Sponsored

২০২৩ সালে ঠিক একইভাবে খুন করা হয়েছিল রচনার স্বামী বীজেন্দ্র যাদবকেও। এখনও আদালতে সেই মামলা আদালতে বিচারাধীন। যার একমাত্র সাক্ষী ছিলেন রচনা নিজে। পুলিশের অনুমান স্বামীর খুনের প্রমাণ লোপাট করতেই খুন করা হয়েছে রচনাকে। আরও পড়ুন: গোষ্ঠী সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ ত্রিপুরা! জ্বলছে বাড়ি, একাধিক জায়গায় বন্ধ ইন্টারনেট!
Sponsored

তবে ঘটনার পর দিল্লির আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে শুরু করেছে। আদালতে বিচারাধীন মামলার একমাত্র সাক্ষীর নিরাপত্তাটুকুও দিতে সক্ষম নয় দিল্লি পুলিশ। শালিমার বাগের মত জনবহুল এলাকায় দিনে দুপুরে এই হত্যাকাণ্ড অমিত শাহের দিল্লি পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তব চিত্রই সামনে আনে। বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশেও এভাবেই উন্নাও ধর্ষিতার পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে যোগীরাজ্যের পুলিশ। ধর্ষককে গ্রেফতার করার পরিবর্তে নির্যাতিতার বাবাকে আটক করে। পুলিশি হেফাজতেই মৃত্যু হয় তাঁর। দিল্লির এই ঘটনাও বিজেপির আইন শৃঙ্খলায় সেই ব্যর্থতাকে আরও একবার প্রমাণ করছে।
Sponsored

ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। যদিও ফরেন্সিক টিম ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। শ্যুটার ও হামলাকারীদের খোঁজে একাধিক দল গঠন করা হয়েছে। এদিকে রচনার বড় মেয়ে কনিকা যাদব অভিযোগ করেছেন, “আমার বাবার খুনের পরও জেল থেকে এবং বাইরে থেকে পরিকল্পনা চলছে । আমার মায়ের খুনও ভরত যাদবই করিয়েছে।” তাঁর দাবি, মা দৃঢ়ভাবে সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত থাকায় আতঙ্কে অভিযুক্তরা এই হামলা চালিয়েছে।
Sponsored

-
Sponsored

-
-
-
-
More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







