সংসদের দুই কক্ষে যে প্রক্রিয়ায় খারিজ করে দেওয়া হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (CEC Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে আনা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের বিজ্ঞপ্তি (impeachment notice), তাতে সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে নষ্ট ও সংবিধানের গৌরব হরণ করা হয়েছে। দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের (I.N.D.I.A) প্রতিনিধিরা সাংবাদিক বৈঠক করে স্পষ্ট করে দিলেন কীভাবে সংসদে গুরুত্বপূর্ণ এই ইস্যুতে গণতন্ত্রের উপরই সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
ইমপিচমেন্ট বিজ্ঞপ্তি খারিজ গণতন্ত্রের উপরই প্রশ্ন: জ্ঞানেশ-ইস্যুতে একজোট I.N.D.I.A.
Sponsored

যে পদ্ধতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (CEC Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে আনা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের বিজ্ঞপ্তিকেই খারিজ করে দিয়েছে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন সরকার, তাতে কংগ্রেস সাংসদ আইনজীবী অভিষেক মনু সাংভি (Abhishek Manu Sanghvi) প্রশ্ন তোলেন, যদি জ্ঞানেশ কুমারের (CEC Gyanesh Kumar) সংক্রান্ত সবকিছু সত্য ও বলিষ্ঠ হয়ে থাকে, তবে আপনারা স্ক্রুটিনি পদ্ধতিতে এড়িয়ে গেলেন কেন। পদ্ধতি যদি স্বচ্ছই হবে বিরোধী সব দল ও সহযোগী দলগুলির প্রস্তাব না দেখেই মাটি চাপা দিয়ে দিলেন।
Sponsored

সোমবার সংসদের দুই কক্ষে খারিজ হয়ে যায় ইমপিচমেন্টের বিজ্ঞপ্তি। তাতে কীভাবে সংবিধান ও দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অবমাননা হয়েছে, তা নিয়েই জোট সদস্য দল কংগ্রেস, ডিএমকে, এনসিপি (এসপি), আরজেডি ও তৃণমূলের প্রতিনিধিরা অন্যান্য সঙ্গী দলের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানেই অভিষেক মনু সাংভি তুলে ধরেন, সংসদে আনা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবকে দুই কক্ষেই একজন প্রিসাইডিং অফিসারের মতামতের উপর নির্ভরশীল করে খারিজ করা হয়েছে। যা সংবিধানের মূল বক্তব্যকেই নাকচ করে দেয়।
Sponsored

সেই সঙ্গে অভিষেক মনু সাংভি তুলে ধরেন, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court of India) সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী ইমপিটমেন্ট প্রস্তাবের ছয়টি ধাপ রয়েছে। তার প্রথম যে গ্রহণ পর্ব, সেখানেই এটিকে খারিজ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশেই বলা হয়েছে কোন পদ্ধতিতে এই প্রস্তাবের বিজ্ঞপ্তি হবে। সেই সব নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালনের থেকেও বেশি পালিত হয়েছে। নির্দেশে রয়েছে লোকসভার (Loksabha) ১০০ সদস্য ও রাজ্যসভার (Rajyasabha) ৫০ সদস্যের স্বাক্ষর প্রয়োজন। তার অনেক বেশি স্বাক্ষর রয়েছে। যে বক্তব্য রয়েছে সেখানে প্রাথমিকভাবে কোনও ভুল রয়েছে কি না তা দেখবেন প্রিসাইডিং আধিকারিক (presiding officer)। সেই পরীক্ষাতেও পাশ করেছে বিজ্ঞপ্তি।
Sponsored

Sponsored

এরপরে প্রিসাইডিং আধিকারিকের সেটি কমিটিতে পাঠানোর কথা। অথচ এখানে সংসদের প্রিসাইডিং আধিকারিক নিজেই বিচার করে খারিজ করে দিচ্ছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গোটা প্রক্রিয়া একদিকে সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্টের বিচারপতিদের কমিটির পর্যবেক্ষণ ও তারপরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গৃহিত হবে। অথচ এখানে মাত্র একজন প্রিসাইডিং আধিকারিক সব সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন রাজনৈতিক কারণে এই ইমপিচমেন্ট আনা হয়েছে। তাই তিনি খারিজ করে দেন। ফলে মুখের সামনে গ্রাস আনতেই প্রক্রিয়াকে গলা টিপে মারা হয়েছে, দাবি করেন অভিষেক মনু সাংভি। সেখানেই এই ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আইনি পথে যতদূর যাওয়া সম্ভব, যাওয়া হবে বলেই জানান ইন্ডিয়া-র সদস্যরা।
Sponsored

-
-
-
-
More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







