সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই শুরু কলকাতা হাই কোর্টের তৎপরতা। অল্প সময়ে কীভাবে প্রায় ৫০ লক্ষ লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি সমস্যার সমাধান, তা নিয়ে উদ্বেগ সত্ত্বেও রবিবার থেকে মাঠে রাজ্যের বিচারকরা, প্রশাসন ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন দফতর। প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা কমিটি ও প্রত্যেক বিধানসভার জন্য একজন করে জুডিশিয়াল অফিসার (judicial officer) নিয়োগ করে কাজে সম্মতি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের (Chief Justice Sujoy Pal)। সেই সঙ্গে গোটা প্রক্রিয়ায় নজরদারির জন্য ৯৫ জন বিচারকের (Judges) তালিকা প্রকাশিত।
সোম থেকে SIR নিষ্পত্তিতে ৯৫ বিচারক, বিধানসভা ভিত্তিক আধিকারিক: রবিতেই প্রশিক্ষণ
Sponsored

কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নির্দেশে শনিবারই প্রতি জেলার জন্য একটি করে কমিটি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। শনিবারই জেলা জজদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেন প্রধান বিচারপতি। সেই মতো রবিবার থেকেই সেই কমিটিগুলি কাজ শুরু করেছে। এই তিন সদস্যের কমিটি তৈরি হয়েছে জেলা জজ (District Judges), জেলাশাসক (DM) ও জেলা পুলিশ সুপারকে (SP) নিয়ে। রবিবারই একাধিক জেলায় এই কমিটির নেতৃত্বে জেলার অন্যান্য আদালতের বিচারকদের নিয়ে বৈঠক শুরু হয়েছে। মূলত তাঁদের দায়িত্ব ও যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাঁদের কাজ করতে হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকগুলিতে।
Sponsored

এর পাশাপাশি প্রতিটি বিধানসভায় আলাদা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জুডিশিয়াল অফিসারদের। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ তাঁদের নির্দেশে যে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের দিয়ে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের নির্দেশ দিয়েছিল, সেই নির্দেশ মতোই কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল শনিবার কমিশন ও প্রশাসনকে তাঁদের বিচারবিভাগীয় আধিকারিক দেওয়ার সক্ষমতার কথা জানান। যদিও ৫০ লক্ষ লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি এক সপ্তাহেরও কম সময়ে সমাধান করা নিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সেই মতো ১৫০ বিচারবিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগের কথা হয় শনিবারের বৈঠকে। এরপরই প্রতিটি জেলা ও কলকাতার দায়িত্ব ভাগ করে দিয়ে ৯৫ জন জুডিশিয়াল অফিসারের তালিকা প্রকাশিত হয়। যে তালিকায় অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদালতের বিচারক থেকে এনডিপিএস আদালতের বিচারক এমনকি পকসো আদালতের বিচারকরাও রয়েছেন।
Sponsored

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিচার বিভাগের কাজ প্রভাবিত হতে পারে মনে করে কলকাতা হাই কোর্ট সেই কাজ সহজভাবে সম্পন্ন করার জন্য আলাদা একটি কমিটি তৈরি করেছে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এই কমিটিতে রয়েছেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, রেজিস্ট্রার জেনারেল নবনীতা রায়, রেজিস্ট্রার রাজু মুখোপাধ্যায় ও যুগ্ম রেজিস্ট্রার তথা সম্পাদক অজয় কুমার দাস।
Sponsored

Sponsored

রবিবারই বিকালে কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে বিধানসভা ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা বৈঠক করবেন। রাজ্যের সব জেলার তথা বিধানসভা ভিত্তিক আধিকারিকরা বৈঠকে যোগ দেবেন। সেই সঙ্গে রবিবার থেকেই লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান যে দফতরে হবে, তা সরেজমিনে দেখার কাজ সারারও পরিকল্পনা রয়েছে বিচারকদের। সব প্রস্তুতি সেরে সোমবার সকাল থেকেই কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি সমস্যার সমাধান করবেন রাজ্যের বিচারকরা।
Sponsored

-
-
-
-
More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







