বাংলায় নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার দলীয় কর্মী, এজেন্টদের সতর্ক করছেন, যাতে তাঁরা ভোট শেষ হওয়ার পরই বুথ ছেড়ে চলে না আসেন। সেই সতর্কতার গুরুত্ব কতটা তা তুলে ধরলেন দেশের প্রবীণ অর্থনীতিবিদ তথা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের স্বামী পারাকলা প্রভাকর (Parakala Prabhakar)। ২০২৪ সালে অন্ধপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে (Andhra Pradesh assembly election) কিভাবে নির্বাচন কমিশনের কারচুপিতে মধ্যরাতে কয়েক লক্ষ ভোটার সংযুক্ত হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশের ভোটার হিসাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। কিভাবে সেই নির্বাচনের দু'বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও মোট ভোটদাতা (voter turn out) ও ভোটার তালিকা (voter list) প্রকাশ না করেই অন্ধপ্রদেশের ক্ষমতায় কায়েম রয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu), সেই তত্ত্ব তুলে ধরে কমিশনকে প্রশ্নের মুখে বসান আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ (Prashant Bhushan) এবং প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি (S Y Quraishi)।
ভোটার কারচুপিতেই ক্ষমতায় চন্দ্রবাবু! মধ্যরাতে ১৭ লক্ষ ভোট, প্রশ্ন প্রভাকর-প্রশান্ত-কুরেশির
Sponsored

নির্বাচন হয়েছিল ২০২৪ সালে। ফলাফলের পরে ভোটে জিতে ক্ষমতায় চতুর্থ বারের জন্য এসেছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। সে নির্বাচনের তথ্য তুলে ধরে পারাকলা প্রভাকর দেখান, ১৩ মে, ২০২৪ ভোট শেষ হওয়ার পর বিকাল ৫ টায় কমিশন জানান ভোট পড়েছে ৬৮.০৪ শতাংশ। রাত ১১ টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ভোটারের তথ্য দিয়ে জানানো হয় ভোট দানের হার (vote percentage) ৭৬.৫০ শতাংশ। আচমকাই চারদিন পরে অন্ধ্রপ্রদেশের তৎকালীন সিইও ভোটদানের সামগ্রিক হারের যে তথ্য পেশ করেন তাতে দেখা যায় ভোট পড়েছে (vote percentage) ৮১.৭৯ শতাংশ।
Sponsored

এই তথ্য তুলে ধরেই প্রশ্ন করেন পারাকলা প্রভাকর (Parakala Prabhakar), কিভাবে চারদিনে এতটা বাড়া সম্ভব ভোট দানের হার। তাঁর ব্যাখ্যা, রাত ১১.৪৫ টা থেকে ২ টোর মধ্যে মোট পড়েছে ৪.১৬ শতাংশ। অর্থাৎ ১৭ লক্ষ ভোট পড়েছে মধ্যরাতে। প্রতিটি ইভিএম মেশিন ১৪ সেকেন্ড সময় নেয় রিসেট হতে। তবে ছয় সেকেন্ডে একটি করে ভোট কিভাবে পড়তে পারে?
Sponsored

আসলে এই কারচুপি যে আরও গভীরে তা তুলে ধরেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ (Prashant Bhushan)। যে ফর্ম-১৭সি (Form-17C) দিয়ে প্রতিটি বুথে কত ভোট পড়েছে (voter turnout) সেই তথ্য কমিশন প্রকাশ করে, আজও পর্যন্ত তা প্রকাশ করতে পারেনি অন্ধপ্রদেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সেইসঙ্গে নির্বাচনের বুধ ভিত্তিক রিয়েল টাইম তথ্য সংগ্রহের যে সুবিধা দেওয়া রয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন দাবি করে, তাও কোথাও প্রকাশ করেনি অন্ধ্রের সিইও।
Sponsored

Sponsored

প্রতিটি বুধস্তর থেকে ফর্ম-১৭সি বুথে পড়া ভোটের সংখ্যা বলে দেয়। যদি নির্বাচনের পরেই বুথস্তরে সেই ফর্ম পূরণ করে কমিশনের ঘরে জমা পড়ে থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করতে কেন এত অসচ্ছতা নির্বাচন কমিশনের, প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি। সেইসঙ্গে ফর্ম-২০ (Form-20) দিয়ে রিটার্নিং অফিসাররা ফলাফলের তথ্য গণনার পরে তুলে ধরেন। সেই ফর্ম-২০-র অডিটের দাবি তোলেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
Sponsored

-
-
-
-
More from শিরোনাম
View All →
আর জি কর-কাণ্ডে ৩ তদন্তকারী IPS-এর সাসপেনশের মেয়াদ বাড়ল
Jul 6

জঘন্যতম অপরাধে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, মঙ্গলে বারুইপুরে যাচ্ছেন শুভেন্দু
Jul 6

প্রয়াত লোকশিল্পী তীজন বাঈ, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
Jul 5

১৪৭ কেজি ওজনের সোনা-মোড়ানো রামচরিতমানস উধাও! প্রণামী কাণ্ডে নতুন বিতর্কে রামমন্দির
Jul 5

জিআই স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বাংলার তিন ঐতিহ্য
Jul 5







