সংসদে বিজেপির চক্রান্ত ব্যর্থ। বিরোধী সাংসদরা তো বটেই, বিজেপি তথা এনডিএ-র হুইপ জারি করা সত্ত্বেও যে লোকসভায় পাস হল না ডিলিমিটেশন বিল (Delimitation bill), তাতে মুখ পুড়ল নরেন্দ্র মোদিসহ গোটা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। কেন্দ্রের এই বিজেপি সরকার ক্রমশ যে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে, তা এই বিল খারিজেই (bill reject) প্রমাণিত, দাবি তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। সংবিধান সংশোধনের বিল লোকসভায় খারিজ হয়ে যাওয়ার পরে অভিষেকের দাবি, লোকসভায় (Loksabha) ডিলিমিটেশন বিলের (Delimitation bill) খারিজ হয়ে যাওয়ায় বিজেপির যে পরাজয় তাতে তারা কতটা অস্বস্তিতে তা সকলেই প্রত্যক্ষ করতে পারছেন। সেই সঙ্গে কোনওভাবেই যে ২০২৩ সালের মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতায় তৃণমূল কংগ্রেস যায়নি, তাও স্পষ্ট করে দেন অভিষেক। বিজেপিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ, মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের (Women Reservation Act) প্রতিশ্রুতি দিয়ে তৈরি হওয়া আইন ১৬ এপ্রিল ২০২৬ থেকে লাগু হয়ে গিয়েছে। এটা ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছিল। যদি এনডিএ সরকার ঐকান্তিক হয়, তবে সেই বিলটিকেই তারা নিয়ে আসুক না এক তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য। আনুক তারা। তৃণমূল কংগ্রেস যে নীতিগতভাবে এই মহিলা সংরক্ষণের পথিকৃৎ, তাও প্রমাণ করে অভিষেকের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস শুধুমাত্র নীতিগতভাবে এই বিলকে সমর্থনই জানায়নি, বাস্তবেও তারা করে দেখিয়েছে। তৃণমূলের সংসদে ৪১ শতাংশ মহিলা (41% women) প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। আরও পড়ুন : জাতীয় স্বার্থে অটুট জোট: ডিলিমিটেশন বিল খারিজে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ রাহুল-অখিলেশের তবে শুক্রবারের বিল খারিজে যে বিজেপির চক্রান্ত ভেস্তে গিয়েছে তা নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি অভিষেক। তিনি স্পষ্ট জানান, সংবিধানের ১৩১ ধারা সংশোধনের প্রক্রিয়াকে খারিজ করেছে ইন্ডিয়া জোট। লোকসভাকে ৮৫০ আসনে বাড়ানো এবং ২০১১ জনগণনার (Census 2011) ভিত্তিতে ডিলিমিটেশন চালু করা ন্যায় ও ভারসাম্যের ক্ষেত্রে গুরুতর প্রশ্ন তুলছিল। এখন স্পষ্ট এনডিএ (NDA) সরকার সময় ধার করছে এবং খোলা চোখে দেখা যাচ্ছে তাদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার স্বপ্ন ভেঙে পড়ছে। - - -