একের পর এক তৃণমূল নেতা-কর্মীর বাড়িতে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলা হামলার অভিযোগ তৃণমূলের। শুক্রবার রাতে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মণের (Swapna Barman) বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। অভিযোগে তির বিজেপির বিরুদ্ধে। দলীয় প্রার্থীর বাড়িতে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট (Social Media Post) করলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বললেন, ”ভারত তোমাকে রক্ষা করতে পারল না স্বপ্না।” নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (X-Handle) অভিষেক (Abhishek Banerjee) লেখেন, "বিজেপির গুণ্ডারা স্বপ্নার বাড়িতে আগুন লাগিয়েছে। ভাবুন, যে অ্যাথলিট দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছিলেন, আজ তাঁকে হিংসা, ভয় আর হুমকির মুখোমুখি হতে হচ্ছে-শুধুমাত্র এই কারণে যে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।” এরপর বিজেপিকে একহাত নিয়ে অভিষেক বলেন, "বিজেপির নজরদারিতে এটাই আজকের কঠিন বাস্তবতা। এই ‘পরিবর্তন’-এর অঙ্গীকার ওরা (বিজেপি) দিয়েছিল। বিজেপি সরকারকে এর জবাব দিতে হবে। এটা কোনওভাবেই নয়া স্বাভাবিকতা হয়ে উঠতে পারে না। তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করার অর্থ যদি এখন আপনার নিরাপত্তা, আপনার পরিবার এবং এমনকী আপনার বাড়িকেও ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হয়, তাহলে একটি জাতি হিসেবে আমরা কোন দিকে এগোচ্ছি? যে ক্রীড়াবিদ ভারতকে গৌরব এনে দিয়েছেন, তাঁর রাজনৈতিক পছন্দের জন্য যদি তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়, তবে গণতন্ত্রের অবস্থা নিয়ে প্রত্যেক ভারতীয়ের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।” শুক্রবার রাতেই স্বপ্না সোশ্যাল মিডিয়ায় পাতকাটা কলোনির বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার খবর জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন রাত থেকেই রাজ্যের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপির (BJP) রাজ্যসভাপতি সকলেই বার্তা দিয়েছিলেন, এমন সন্ত্রাসের সঙ্গে দলের কোনও কর্মী জড়িত আছে জানতে পারলে তাঁকে দল থেক বহিষ্কার করা হবে। রেয়াত করা হবে না। তারপরেও কেন সন্ত্রাস চলছে? প্রশ্ন উঠছেই। - - - - - - -