কলকাতার (Kolkata) রাস্তা ও ফুটপাতকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার কড়া সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation) ও পুলিশ। শহরের ৫৮টি বড় ক্রসিংয়ে ৪৫ ফুটের মধ্যে কোনও হকার না রাখার নির্দেশ এবার কার্যকর করা হচ্ছে। কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তায় যেন নতুন করে আর দখল না হয় সেই বিষয়টি নজরে রাখতে বলা হয়েছে পুলিশকে। এই বিষয়ে, পুর কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে (Municipal Commissioner and Administrator Smita Pandey) জানিয়েছেন, শহরের সমস্ত স্কুল, কলেজ, শপিং মল, হাসপাতাল, সরকারি দফতর, ও পুর মার্কেটে ঢোকার দুই ধার থেকে হকারদের উঠে যেতে হবে। শহরের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে এই ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু এর মাঝেই টাউন ভেন্ডিং (Vending) কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার পর যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় বাদ গিয়েছে তাঁদের আর ভেন্ডিং লাইসেন্স (Vending License) দেওয়া হবে না। শুধু তাই নয়, আগে তৈরী হওয়া ৮৭২৭ জনের ভেন্ডিং সার্টিফিকেট তালিকাতেও এসআইআর সংক্রান্ত নথি যাচাই এবার থেকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। কিছু ইউনিয়ন নেতার বিরুদ্ধে বিদেশি নাগরিকদের বেআইনিভাবে হকারির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।
এসআইআরে নাম না থাকলে দেওয়া হবে না ভেন্ডিং লাইসেন্স
Sponsored

প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে ধর্মতলা, পার্ক স্ট্রিট ও বিবাদী বাগ সহ মোট ১৮৯২টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ‘নো-হকিং জোন’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তারপর আরও প্রায় ২০০০ রাস্তা একইভাবে ‘নো-হকিং জোন’ করা হবে। ১৫ দিনের মধ্যে যৌথ সমীক্ষা শুরু করার কথা বলা হয়েছে। ২০২৪ সালের সমীক্ষায় ৫৬ হাজার হকারের তালিকা থাকলেও হকারদের দাবি প্রকৃত সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ৭৫ হাজার। পুরসভা ও পুলিশের এই উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তুঙ্গে। প্রশ্ন উঠছে, বাংলায় 'এসআইআর' এর ফলে ভোটাধিকার হারিয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। নাম বাদ গিয়েছে যোগ্য ভোটারদের। যে গতিতে ট্রাইবুনালের (Tribunal) শুনানি চলছে তাতে শেষ হতে লেগে যাবে আরও কয়েক বছর। তাহলে কিসের ভিত্তিতে শুধুমাত্র এসআইআরে নাম না থাকলেই ভেন্ডিং লাইসেন্স অস্বীকার করা হচ্ছে?
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored












