সব বিতর্কের শেষ হল ভোট বাক্সেই। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ (Bangiya Sahitya Parishat)-এর কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জিতলেন বর্তমান কর্মকর্তারা। ২৯ মার্চ ১৩১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় গোপন ব্যালটে ভোট হয়। আগে একাংশের দাবি ছিল, ভোট এড়াতে চাইছেন কর্তৃপক্ষ, কিন্তু সেই অভিযোগ একেবারে খারিজ করে দেন সদস্যরাই।
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে বিপুল ভোটে জয়ে থাকল বর্তমানদের দাপট
Sponsored

সভা মঞ্চ থেকেই পরিষদের সম্পাদক রমেনকুমার সর স্পষ্ট জানান, কিছু মানুষ মিথ্যে প্রচার চালাচ্ছিলেন। ভোটের ফলাফলেই পরিষ্কার, সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন তাঁরা কাজ চান, কুৎসা নয়।
Sponsored

গত এক বছরে বেশ কিছু কাজ করেছে পরিষদ। পাঠকদের সুবিধার জন্য ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পাঠকক্ষ খোলার সময় সকাল ১১টা করা হয়েছে। ঠান্ডা পানীয় জলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ চালু হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কমবে।
Sponsored

পরিষৎ ভবনের দোতলার প্রদর্শশালার নতুন রূপায়ণ হয়েছে। চিত্রশালার পরিচিতি গ্রন্থ প্রকাশের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। লিফট বসানোর কাজ শুরু করেছে রাজ্যের পূর্ত দপ্তর। কর্মীদের জন্য কর্মচারী বিমা (ESIC) চালু হয়েছে। বিদ্যুৎ খরচ কমাতে চালু হয়েছে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, যা ভবিষ্যতে বড় সাশ্রয় আনবে বলে আশা।
Sponsored

ডিজিটাল ক্ষেত্রেও সক্রিয় হয়েছে পরিষদ (Bangiya Sahitya Parishat)। পরিষদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নিয়মিত অনুষ্ঠান ও প্রকাশনার খবর দেওয়া হচ্ছে। পুরনো সভাকক্ষ এখন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, ফলে গরমেও অনুষ্ঠান আয়োজন করা সহজ হচ্ছে। পরিষদকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্রও তৈরি হয়েছে, যাশীঘ্রই প্রকাশ্যে আসবে। ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট পাওয়ার কাজও চলছে।
Sponsored

পরিষদের গুরুত্ব তুলে ধরে সম্পাদক বলেন, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ বাঙালির জ্ঞানচর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। অপপ্রচারকে সরিয়ে, কাজের মধ্য দিয়েই এগিয়ে যাক প্রতিষ্ঠান।
Sponsored

-
-
-
-












