২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে প্রশাসনের উপর চাপ বাড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার ধর্মতলায় প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, শক্তি প্রতাপ সিং, মৃত্যুঞ্জয় পাল-সহ প্রমুখ। এদিন কুণাল ঘোষ বলেন, যোগা দিবসের জন্য ৭ দিন রেড রোড বন্ধ রাখতে পারেন আর কলকাতার সাম্প্রতিককালে সবচেয়ে বড় গণহত্যার শহিদ তর্পণের জন্য একবেলার জন্য অনুমতি দেবেন না এটা পারে নাকি।
প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে প্রশাসনের উপর চাপ বাড়াল তৃণমূল
Sponsored

কুণাল আরও বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ২১ জুলাই যে শহিদ তর্পণ কর্মসূচি রয়েছে তার প্রাথমিক কাজ আমরা আইন মেনে যেমন পুলিশের কাছে আমরা অনুমতি চেয়েছি পাশাপাশি এই জায়গাটিতে কোথায় কী হবে এবার শাখা সংগঠন, গণ সংগঠনের তরফ থেকেও অনুরোধ আছে তাদের একটু জায়গা দেওয়া। ফলে টেকনিক্যালি এইগুলি হয় কি হয়না এই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন মাপজোক করে নেওয়া হয়েছে, বাকিটা নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেবেন।"
Sponsored

বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়কের সংযোজন,"১৯৯৩ এর ২১ জুলাই আন্দোলন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে হয়েছিল। এখন যে চার আনার নকুলদানারা যাদের ক্যাশ মেমো হয় না, যারা বড় বড় কথা বলছেন তাঁরা অনেকে তখন সিপিএম করতেন। তাঁরা কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন দেখেননি। তার আগে আমাদের সচিত্র পরিচয়পত্র ছিল না। নো ভোট বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটা শুরু করেছিলেন। সেই সমাবেশে ১৪ জনকে মেরেছিল সিপিএম সরকার। তারমধ্যে ১৩টি দেহ শনাক্ত করা হয়েছিল, আরেকটি দেহ আনআইডেন্টিফায়েড। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের চেষ্টা হয়েছে। আহতের সংখ্যা প্রায় একশোর বেশি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশ সেদিন অচৈতন্য অবস্থায় তুলে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন পুলিশের গড়ি থেকে নামিয়ে আমি আমার তৎকালীন অফিসের গাড়িতে করে প্রথমে মেয়ো রোড, তারপর এসএসকেএমে তারপর সেখান থেকে উডল্যান্ডে ভর্তি করে বাড়ি যাই। কারা বলছেন ২১ জুলাই নিয়ে? তারপর থেকে প্রত্যেক বছর শহিদ তর্পণ হিসেবে পালন করে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনীতিতে এটা একটা নজির।"
Sponsored

কেন ধর্মতলা করা হয় শহিদ তর্পণ-এর ব্যাখ্যাও দেন কুণাল ঘোষ,বলেন, "কারণ এই জায়গাটা ঘিরে গণ্ডগোল হয়েছিল। এই রাস্তার মোড়েই তো মৃতদেহগুলি পড়েছিল। এটাই ঘটনাস্থল। তো যেখানে মানুষদের মারা হয়েছিল সেখানেই শহিদ তর্পণ হয়।" দোলা সেন বলেন,"হাসপাতালে ভর্তির পর সেখান থেকে ছাড়া পেতে নেত্রীর একমাস সময় লেগেছিল। এরপর ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন আমি যতদিন বাঁচবো শহিদ তর্পণ পালন করব ২১ জুলাই।"
Sponsored

Sponsored

Sponsored













