দিন কয়েক আগেই সোশাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সমস্ত উপহার ফিরিয়ে দেবেন। সেই কথামতোই উপহারের সামগ্রী ও একটি চিঠি নিয়ে কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছন কাকলিপুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই উপহার কেউ গ্রহণ করেনি বলেই জানা গিয়েছে।
মমতার উপহার ফেরাতে কালীঘাটে কাকলিপুত্র বৈদ্যনাথ! তারপর কী হল?
Sponsored

তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে বারাসতের বিদায়ী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সম্পর্ক চার দশকেরও বেশি পুরনো। নেত্রীর দীর্ঘ লড়াইয়ের অন্যতম সঙ্গী ছিলেন তিনি। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর থেকেই ক্রমশ স্পষ্ট হতে শুরু করে দু’পক্ষের দূরত্ব। প্রথমদিকে রাখঢাক থাকলেও পরবর্তী সময়ে সেই অসন্তোষ আর চাপা থাকেনি। প্রকাশ্যেই ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে নাম লেখান কাকলি। অন্য দিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নাম না করে কাকলির এই শিবির বদলের কারণ হিসেবে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, দলের এক সাংসদ ছেলের জন্য টিকিট চেয়েছিলেন, তা না পেয়েই দল ভাঙছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। উপহার স্বরূপ সেই সাংসদ-পুত্র কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাও পেয়েছেন। পরবর্তীতে দলের একাধিক নেতার মুখেও শোনা গিয়েছে একই কথা।
Sponsored

দলীয় নেতৃত্বের এই আক্রমণের জেরেই ক্ষুব্ধ হয়ে কাকলিপুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিয়েতে তাঁর স্ত্রীকে একটি সোনার হার উপহার দিয়েছিলেন। এ ছাড়া কয়েকবার পুজোয় কুর্তা-পায়জামাও পাঠিয়েছিলেন। তাঁরা সেগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ব্যক্তিগত কারণে এই উপহারগুলি ফিরিয়ে দেওয়াই সমীচীন বলে মনে করছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, সোনার হারটি দু’বছর তাঁদের কাছে ছিল, তার জন্য যদি সুদ দিতে হয়, তাও দিতে রাজি। কিন্তু ওঁর মতো মানুষের থেকে কোনও উপহার তাঁরা রাখতে চান না। সেই ক্ষোভ থেকেই বুধবার সন্ধ্যায় উপহার সামগ্রী নিয়ে কালীঘাটের বাড়িতে যান বৈদ্যনাথ। তবে তাঁর দাবি, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলেও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা কর্মী বা অফিসের কর্মীরা তাঁর আনা উপহার এবং চিঠি— কোনওটিই গ্রহণ করেননি।
Sponsored

Sponsored

_
Sponsored

Sponsored

_
_
_
_
_
_












