রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই অবৈদ দোকান এবং হকার উচ্ছেদের নীতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার অ্যাকশন হল পার্ক সার্কাস স্টেশনে(Park Circus)।
মধ্যরাতে পার্ক সার্কাস স্টেশনে বুলডোজার, মাটিতে মিশে গেল দোকানপাট
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই অবৈদ দোকান এবং হকার উচ্ছেদের নীতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার অ্যাকশন হল পার্ক সার্কাস স্টেশনে(Park Circus)।
Sponsored

শনিবার মাঝরাতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হল দোকান-স্টল। রেলের জমি দখলমুক্ত করতে এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষর তরফে। পার্ক সার্কাস, শিয়ালদহ ডিভিশনের অন্যতম ব্যস্ত স্টেশন হওয়ায় প্রতিদিন নিত্যযাত্রীদের ভিড় ভালোই থাকে। সেই স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে রেলের জমিতে বহু বছর ধরেই একাধিক দোকান তৈরী হয়েছে। কয়েকটি জায়গায় পাকা স্টল বানিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এবার রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে রেলের জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চলছে।
Sponsored

Sponsored

জানা যাচ্ছে, জুন মাসের শুরুতে পার্ক সার্কাস (Park Circus)স্টেশন চত্বরের দোকানদার এবং ব্যবসায়ীদেরও নোটিশ পাঠিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এলাকা খালি করে দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু তারপরেও স্টল বা দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়নি। শনিবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ পার্ক সার্কাস স্টেশন চত্বর-সহ গোটা এলাকা ঘিরে পুলিশ এবং আরপিএফ ব্যারিকেড লাগিয়ে দেয়। এরপরেই বুলডোজার দিয়ে একের পর এক ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ‘অবৈধ’ দোকান, স্টল, গুমটি। যেকোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় যে প্রশাসনের কাজে বাধা দিলে ফল ভুগতে হবে। উচ্ছেদ অভিযান দেখতে আশপাশে ভিড় জমে যায় কিন্তু মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যে খালি করে দেওয়া হয় গোটা এলাকা।
Sponsored

Sponsored

প্রসঙ্গত, এর আগেও নোটিশ দিয়ে হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশন ছাড়াও দমদম, হাবরা, যাদবপুরে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে রেল। স্টেশন চত্বর থেকে অবৈধ দোকান সরিয়ে দেওয়ায় যাত্রীদের একাংশ খুশি কারণ ব্যস্ত সময়ে সমস্যা হবে না। তবে দোকানদারদের একাংশের অভিযোগ, এভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো মানে তাঁদের কার্যত রুটিরুজি কেড়ে নেওয়া হল। পুনর্বাসন না দিয়ে এই ধরণের কর্মকাণ্ডের ফলে মারাত্মক হারে বাড়ছে বেকারত্ব যা সামাজিক প্রেক্ষাপটে খুব সুস্থ চিন্তাভাবনা একেবারেই নয়।
Sponsored













